দ্রুত ওজন কমাবে যেসব খাবার

মুটিয়ে যাবার হার ব্যাপক। ছোট শিশু থেকে শুরু করে বড়দের মধ্যে ওজন বাড়ার প্রবণতা লক্ষ্যণীয়। এ জন্য ভুক্তভোগী একা নন পরিবারের সবাই চিহ্নিত। অতিরিক্ত ওজন কমাতে কত কিছুই না করতে হচ্ছে। কাড়ি কাড়ি টাকাও খরচ করছেন। কাজের কাজ তো কিছুই হচ্ছে না। তবে জেনে রাখুন, দ্রুত ওজন কমানোর ওষুধ আপনার হাতের কাছেই আছে।

এই ওষুধ কোন ঔষধ কোম্পানির নয়। প্রকৃতি প্রদত্ত ওষুধ। এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো অতিরিক্ত ফ্যাট বার করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এরকম খাবার ওজনও কমায় আবার পেটেও থাকে দীর্ঘক্ষণ। এর কারণে ক্ষুধা কম পায়। এ ছাড়া পরিপাকতন্ত্রের ক্রিয়ার গতিবেগ বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে শরীরে জমাকৃত ক্যালোরিও দ্রুত ঝরে। ওজন বাড়ার সুযোগ একদমই থাকে না।

জেনে নেই সেই খাবারগুলো কি কি :

আপেল

ওজন কমানোর সেরা ফল আপেল। খাওয়ার পর অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। এ ছাড়া আপেল পরিপাকতন্ত্রের ক্রিয়া বাড়িয়ে দিয়ে হজমশক্তি বাড়ায়। আপেল ভিটামিনসমৃদ্ধ এবং ফাইবারের মাত্রাও বেশি। প্রতিদিন আপেল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

টক দই

টক দই দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে। দইয়ে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া সহজে ক্যালোরি পুড়িয়ে ফেলতে সাহায্য করে। ফলে ওজন বাড়ে না। প্রতিদিন খাবারে রাখুন এক বাটি টক দই।

দারুচিনি

দারুচিনি ওজন কমানোর জন্য খুবই উপকারী। দারুচিনি দিয়ে চা তৈরি করে খেতে পারেন। এ ছাড়া মধুর সঙ্গে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে খাওয়া যায়। যদি দ্রুত ওজন কমাতে চান, তাহলে অবশ্যই রোজ এক টুকরা দারুচিনি বা আধা চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া খেতে পারেন।

লাল চাল

লাল চাল খেলে ওজন কমে। এতে কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা কম এবং ফাইবার বেশি পরিমাণে থাকে। লাল চাল অল্পতেই পেট ভরিয়ে দেয়। সেই কারণে বেশি খাওয়া যায় না। ফলে ওজন কমে।

গ্রিন টি বা সবুজ চা

গ্রিন টি পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে। সবুজ চায়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের প্রাচুর্য পরোক্ষভাবে অতিরিক্ত চর্বি ঝরাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্তত ৩ কাপ গ্রিন টি শরীর থেকে সর্বোচ্চ ৭০ ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলতে পারে।

কুমড়া

কুমড়ায় ক্যালোরির মাত্রা খুবই কম অথচ পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। কুমড়ায় ফাইবারের মাত্রাও বেশি, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। কুমড়া খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং কুমড়ায় বিটাক্যারোটিনও বেশি মাত্রায় থাকে।

ছোট-বড় যারাই ওজন সমস্যায় আছেন উপরোক্ত খাবারগুলো নিয়মিত খেতে থাকুন। আপনার ওজন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

তথ্যসূত্র : স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রতিবেদন ও ইন্টারনেট।